খুলনার ডুমুরিয়া থানার সাজিয়ারা গ্রামের সালেহা বেগম নিখোঁজ হলে তার ছেলে শামিম ফকির বাদী হয়ে একই গ্রামের মোহাম্মদ লালন গাজীর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে পিবিআই খুলনা জেলা মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে এবং এসআই (নিঃ) রেজোয়ান মামলাটি তদন্ত করেন।
পিবিআইয়ের অপহরণ মামলার তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম সালেহা বেগম ও আসামি মোহাম্মদ লালন গাজী একত্রে পিরোজপুরের চাড়াখালী গ্রামের জনৈকা মোছাঃ জেসমিন বেগমের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করতেন। ১৯/০৮/২০২৫ খ্রি: সন্ধ্যায় ভিকটিম এবং আসামি মোহাম্মদ লালন গাজী তার মামাবাড়ি খুলনার বটিয়াঘাটার গজালিয়া গ্রামে যাওয়ার কথা বলে একত্রে বাসা থেকে বের হয়ে চলে যান। এরপর সালেহা বেগম নিখোঁজ হন।
তদন্তকালে বটিয়াঘাটা থানায় যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, ২০ আগস্ট বটিয়াঘাটার ঝপঝপিয়া নদী থেকে মাথাবিহীন অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় থানা পুলিশের আইনি কার্যক্রম শেষে বেওয়ারিশ লাশ হিসেবে দাফন করা হয় এবং এই ঘটনায় বটিয়াঘাটা থানায় মামলা নং- ০৯, তাং ২০/০৮/২০২৫ ইং, ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।
পিবিআই অপহরণ মামলার সূত্র ধরে বটিয়াঘাটায় পাওয়া অজ্ঞাত লাশের পোশাক ও দেহের গঠনের ছবি সংগ্রহ করে ভিকটিমের পরিবারকে দেখায়। তারা প্রাথমিকভাবে মরদেহটি সালেহা বেগমের বলে শনাক্ত করলে পিবিআই খুলনা জেলা উদঘাটনের উদ্যোগে বটিয়াঘাটা থানায় রুজু হওয়া হত্যামামলার তদন্তভার গ্রহণ করে এবং তদন্তভার এসআই (নিঃ) রেজোয়ানকে দেয়া হয়।
অপহরণ মামলার তদন্তে হত্যা রহস্য উদঘাটন: পিবিআই খুলনার অভিযানে একজন গ্রেফতার
ডিটেকটিভ ডেস্ক
,
