রাত তখন প্রায় ২টা ছুঁইছুঁই। পুরো শহর ঘুমিয়ে আছে। চারদিকে সুনসান নিস্তব্ধতা। কিন্তু মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসায় নিভু নিভু করে আলো জ্বলছে। এই ঘরেই থাকে নাফিসা (ছদ্মনাম)। সামনে এসএসসি পরীক্ষা দেবে। কিন্তু তার জীবনে হঠাৎ নেমে এল এক বড় বিপর্যয়। চোখের সামনে সবকিছু ভেঙে পড়ছে। নাফিসার মনে হলো, সে এই পৃথিবীতে পুরোপুরি একা হয়ে গেছে।
জানালার পাশে বসে থরথর করে ভয় ও আতঙ্কে কাঁপছে। খুব জোরে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছে করছে, কিন্তু গলা দিয়ে শব্দ বেরোচ্ছে না। তার মোবাইলের স্ক্রিনে একটার পর একটা মেসেজ আসছে, “তোর “ভিডিওটা পাঠাব সবার কাছে”, “তোর বাবা-মা দেখলে কী হবে, ভেবে দেখ”, “কথামতো না চললে নাম-ঠিকানা দিয়ে পোস্ট দেব।”
নাফিসার চোখ দিয়ে ঝরছে অশ্রুধারা। মাথা ভোঁ ভোঁ করে ঘুরছে। মনে হচ্ছে, রাজ্যের সব বোঝা তার মাথায় এসে পড়েছে। শরীরও খানিকটা অবশ হয়ে পড়েছে। এদিকে স্ক্রিনে ক্রমাগত একের পর এক হুমকির বার্তা আসছেই। ভয়, লজ্জা ও অপমান-সব মিলিয়ে যেন বুকের ভেতর পাথরের মতো ভার জমে আছে।
সে ভাবতে শুরু করল, “সবাই আমাকে দোষ দেবে”, “কেউ আমাকে বিশ্বাস করবে না।” সেই মুহূর্তে নাফিসার মনে হচ্ছিল, পৃথিবী যেন তার চারপাশে ভেঙে পড়ছে। সহপাঠীরা কী বলবে, বাবা-মা জানলে কী হবে, শিক্ষক বা আত্মীয়রা জেনে গেলে সে কি লজ্জায় মুখ দেখাতে পারবে? ভয়, লজ্জা ও অপমান-সব মিলিয়ে সে ধীরে ধীরে নিজের ভেতরেই গুটিয়ে যেতে শুরু করল। কাউকে কিছু না বলে দিন দিন নিজেকে সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলল।
একপর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ সংকটে পৌঁছাল। অথচ সেই মুহূর্তে তার পাশে দাঁড়ানোর মতো পরিবার, বন্ধু, আইনগত ও মানসিক সহায়তা-সবকিছুই ছিল; কিন্তু সে ভাবেনি, কেউ তাকে বুঝবে। সে ভেবেছিল, মানুষ তাকেই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে, প্রশ্ন তুলবে, প্রশ্নবাণে জর্জরিত করবে। এই ভয়, লজ্জা ও সামাজিক চাপই তাকে এমনভাবে একা করে দেয় যে সে বের হওয়ার পথ খুঁজে পায়নি।
বাস্তব ঘটনাগুলো এরকমই, হয়তো এর চেয়েও আরও নিষ্ঠুর। এই ঘটনাগুলো আমাদের সামনে কিছু বাস্তবতা তুলে ধরে। তথাকথিত সামাজিক মর্যাদা হারানোর ভয়ে কখনো কখনো আমরা নিজের কাছের মানুষদেরই বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিই। হয়তো একটু সহানুভূতি, একটু সান্ত্বনাই পারত নাফিসাদের বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচাতে। কিন্তু সামাজিক ও পারিবারিক অসহযোগিতা, সমালোচনামূলক আচরণ এবং সমর্থনের অভাব ভুক্তভোগীকেই সংকটে ঠেলে দেয়। কে অপরাধী আর কে ভিকটিম-সে সংজ্ঞায়ন এই সমাজের খুব একটা বিবেচনায় আসে না। যে সমাজে কেউ সাহায্য চাইতে সাহস পায় না, সেটাই ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা।
লজ্জা নয়-সমাধান খোঁজাই প্রথম দায়িত্ব
গত কয়েক বছরে দেশে অনলাইনে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ব্ল্যাকমেইল করা ও হুমকি দিয়ে অর্থ আদায়ের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। পুরোনো সম্পর্ক, প্রতিশোধ, হ্যাকিং কিংবা ফোন হারানো-অনেকভাবেই এসব তথ্য অপরাধীদের হাতে পৌঁছে যায়। সবচেয়ে বড় বাধা হলো ভুক্তভোগীদের ভীতি; বহু তরুণ-তরুণী বিশ্বাস করেন, পরিবারের মানসম্মান বা সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন হবে। এ মানসিক চাপই অভিযোগ দাখিলে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু বাস্তবতা হলো, ঘটনাটি যত বেশি লুকানো হয়, অপরাধীর নিয়ন্ত্রণ তত বেশি বাড়ে। অপরাধীরা জানে, ভুক্তভোগী যত ভয় পাবে, ততই তাদের দাবি মানার সম্ভাবনা বাড়বে। তাই প্রথম ধাপটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ-পরিবার বা বিশ্বাসযোগ্য কারও কাছে বিষয়টি খোলাখুলি জানানো, নিজের ওপর মানসিক চাপ কমানো এবং নিরাপদ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।
পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব
ভিকটিমের জন্য অনলাইনে তার ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে যাওয়ার ঘটনায় সবচেয়ে বড় ভয় সমাজের প্রতিক্রিয়াকে ঘিরে। পরিবার বা কাছের মানুষ শুরুতেই উল্টো ভিকটিমকেই জেরা করতে শুরু করে। এক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ই দেখা যায়, ভিকটিমকেই দোষারোপ করা হয়, কিন্তু যে দোষী সে আড়ালেই থেকে যায়। এই আশঙ্কাগুলো আসলে ভুক্তভোগীকে আরও বেশি আতঙ্কিত করে তোলে। তার কাছে পৃথিবী আরও অন্ধকার হয়ে যায়।
অভিযোগ দাখিল বা আইনি সহায়তা নেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় বাধা-সমাজ জেনে যাবে, এই ভয়। অথচ এখানে সঠিক আচরণ হওয়া উচিত প্রথমে ভিকটিমকে সান্ত্বনা ও সহানুভূতি দেওয়া, তার পাশে থাকা, তার অবস্থানকে শক্তিশালী করা এবং সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য তাকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করা।
কারণ ভিকটিম ব্লেমিং যেমন কখনোই সমাধান নয়, একই সঙ্গে এটি অপরাধ ও অপরাধীকে বহুগুণ উৎসাহিত করে। এই সংকটকালীন সময়ে পরিবার ও বন্ধুদের উচিত পাশে থাকা এবং ভিকটিমকে কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন করে না রাখা। এটাই ভুক্তভোগীর সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।
ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে কীভাবে এগোবেন
এ ধরনের পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়া স্বাভাবিক; কিন্তু ভয় বা আবেগ থেকে নেওয়া তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে দিতে পারে। ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের শঙ্কায় অস্থির হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার বদলে পরিস্থিতিকে ঠান্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করতে হবে।
যেকোনো ধরনের হুমকি, ব্ল্যাকমেইলকারীর সঙ্গে যোগাযোগের স্ক্রিনশট, কল লগ বা কল রেকর্ড, লিংক বা অ্যাকাউন্টের তথ্য-সব সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো পরবর্তীতে আইনগত তদন্ত ও মামলার জন্য শক্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
অপরাধীর সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা বা তাদের দাবির প্রতি সাড়া দেওয়া বিপদ আরও বাড়ায়। ব্ল্যাকমেইল বা অর্থ দাবির ক্ষেত্রে অপরাধীরা কখনোই সন্তুষ্ট হয় না এবং প্রতিবার সুযোগ পেলেই দাবি বাড়িয়ে দেয়। তাই সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করা হলো সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ। এরপর সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অভিযোগ করলে সাধারণত আইডি বা কনটেন্ট দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে।
সবশেষ এবং সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো আইনগত সহায়তা গ্রহণ। থানা, অনলাইন জিডি, সাইবার পুলিশ সেন্টার বা সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন-যেখানে সুবিধাজনক মনে হয়, সেখানেই অভিযোগ জানানো উচিত। আইনগত ব্যবস্থা যত দ্রুত শুরু হবে, অপরাধীর সুযোগ তত কমে আসবে।
কোন আইনগুলো আপনাকে সুরক্ষা দেয় এবং অপরাধীর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির মাত্রা নিশ্চিত করে
ডিজিটাল চাঁদাবাজি, ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ব্ল্যাকমেইল করা বা এ ধরনের হুমকি দেওয়া কোনো ভুল, সম্পর্কগত বিরোধ বা সামাজিক সংঘর্ষ নয়-এগুলো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে যে আইনগুলো কার্যকর:
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫
ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ফাঁস, ব্ল্যাকমেইল বা হুমকি-সংক্রান্ত অপরাধে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অনধিক ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড। প্রয়োজনে আদালতের নির্দেশে অপরাধীর সোশ্যাল মিডিয়া, ডিভাইস বা ডিজিটাল অ্যাকসেস নিষিদ্ধকরণ।
পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২
কোনো ব্যক্তি কারও ব্যক্তিগত বা ঘনিষ্ঠ ছবি বা ভিডিও ছড়ালে অথবা ছড়ানোর হুমকি দিলে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং আর্থিক জরিমানা। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধিত)
ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা বা মানসিক নির্যাতন করলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পর্যন্ত শাস্তি প্রদানযোগ্য।
অর্থাৎ অপরাধ যেভাবেই ঘটুক-অতীত সম্পর্ক, ব্যক্তিগত বিরোধ, হ্যাকিং, প্রতিশোধ বা হুমকি-কারণ যা-ই বলা হোক, অপরাধীর শাস্তি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার সুযোগ নেই। আইন সুস্পষ্টভাবে ভুক্তভোগীর পক্ষে, অপরাধীর পক্ষে নয়।
এ কারণে অভিযোগ জানানো অত্যন্ত জরুরি। অভিযোগের মাধ্যমে:
- ডিজিটাল ফরেনসিকের মাধ্যমে অপরাধীকে শনাক্ত করা যায়;
- ব্যবহৃত ডিভাইস ও অ্যাকাউন্ট জব্দ করা যায়;
- শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।
জরুরি সহায়তা-সংকটের মুহূর্তে কোথায় যোগাযোগ করবেন
যখন কেউ ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়, ব্ল্যাকমেইল শুরু করে কিংবা তা ইতোমধ্যেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে, তখন প্রতিটি মিনিটই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় ভুল হলো একা সব সামলানোর চেষ্টা করা।
সহায়তা চাওয়া মানে সমস্যা বাড়ানো নয়; বরং দ্রুত ও কার্যকর সমাধানের পথ খুলে দেওয়া। জরুরি পরিস্থিতিতে প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত ৯৯৯-এ ফোন করা, যেখানে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে—হুমকি বন্ধ করা, প্রমাণ সংরক্ষণে সহায়তা করা এবং প্রয়োজনে অভিযুক্তকে শনাক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করা পর্যন্ত।
শারীরিকভাবে থানায় যেতে না পারলেও অভিযোগ জানানো বন্ধ থাকে না। ঘরে বসেই নিরাপদভাবে অভিযোগ দায়ের করা যায় অনলাইন জিডির মাধ্যমে
(https://gd.police.gov.bd)।
নারীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে রয়েছে সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (https://pcsw.police.gov.bd), যেখানে অভিযোগ গ্রহণের পাশাপাশি কাউন্সেলিং, ব্লকিং রিকোয়েস্ট এবং কনটেন্ট রিমুভাল—সবকিছুই নারীকেন্দ্রিকভাবে দ্রুত ও সংবেদনশীলতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়। এ সেবার জন্য ফেসবুক (www.facebook.com/PCSW.PHQ), ই-মেইল (cybersupport.women@police.gov.bd) এবং জরুরি নম্বর ০১৩২০০০০৮৮৮-এর মাধ্যমেও যোগাযোগ করা যায়।
পাশাপাশি আইনি, মানসিক ও চিকিৎসাসহায়তার সমন্বিত জাতীয় সেবা পেতে নারী ও শিশু নির্যাতন সহায়তা হটলাইন ১০৯-এ যোগাযোগ করা যেতে পারে, যেখান থেকে ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার, আইনি সহায়তা, আশ্রয়কেন্দ্র, কাউন্সেলিং এবং প্রয়োজনীয় রেফারেল সেবার সঙ্গে সংযোগ করিয়ে দেওয়া হয়।
ডিজিটাল হয়রানির সংকট ব্যক্তিগত আঘাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একই সঙ্গে সামাজিক, আইনি এবং মানবিক লড়াই। এমন পরিস্থিতিতে কেউ একা পড়ে না; আইন, সহায়তা ইউনিট, প্রযুক্তি টিম, পরিবার ও প্রতিষ্ঠান মিলেই সুরক্ষার কাঠামো তৈরি হয়। এখানে লজ্জার বোঝা বা দায় ভুক্তভোগীর নয়-দায়ী একমাত্র অপরাধী।
প্রযুক্তি যত উন্নত, ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা তার চেয়েও দৃঢ়। একজন ভুক্তভোগী নীরব না থেকে অভিযোগ করলে শুধু নিজের জন্যই ন্যায়বিচারের পথ তৈরি হয় না, বরং আরও বহু সম্ভাব্য ভুক্তভোগীকেও সুরক্ষাবলয়ের ভেতরে নিয়ে আসে।
লেখক
অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার
সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম
মহানগর গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ডিএমপি।
ব্ল্যাকমেইলের হুমকি পাওয়া মাত্র করণীয় ধাপসমূহঃ
আতঙ্কিত হবেন না
ভয় বা আবেগ থেকে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা মাথায় মূল্যায়ন করুন।
সব প্রমাণ সংরক্ষণ করুন
হুমকির মেসেজ, স্ক্রিনশট, কল লগ, কল রেকর্ড, লিংক, আইডি বা অ্যাকাউন্টের তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।
অপরাধীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করুন
কোনো জবাব দেবেন না, দাবি মেনে নেবেন না, অর্থ পাঠাবেন না।
তদন্ত শুরু হলে সহযোগিতা করুন
সংরক্ষিত প্রমাণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করুন।
নিজের ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করুন
পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু করুন এবং ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার সীমিত করুন।সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অভিযোগ জানান
সংশ্লিষ্ট আইডি বা কনটেন্ট রিপোর্ট করুন, যাতে দ্রুত অপসারণ ও সীমাবদ্ধতা আরোপ করা যায়।
আইনগত সহায়তা নিন (অবিলম্বে)
থানা

