চট্টগ্রাম মহানগরীতে অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে প্রাণহানি কমাতে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ। ২০ মে ২০২৬ নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলে মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা বাস্তবায়নবিষয়ক এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। ব্লুমবার্গ ফিলানথ্রপিসের বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তা উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০ ও ২১ মে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সিএমপি কমিশনার বিদ্যমান ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের পাশাপাশি চালকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সড়কে সময় বাঁচানোর চেয়ে জীবন বাঁচানোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ রোড পুলিশিং উপদেষ্টা পিটার জোনস প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন। সেশনগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গতিসীমা বাস্তবায়ন, অতিরিক্ত গতির ঝুঁকি, প্রযুক্তি ও কৌশল এবং সড়কের পাশে নিরাপদভাবে চেকপোস্ট পরিচালনার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা ২০২৪ অনুযায়ী, মহাসড়ক, শহরাঞ্চল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, চট্টগ্রামে ৪৪ শতাংশের বেশি যানবাহন নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে। মোটরসাইকেল চালকদের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ৭০ শতাংশ।
কর্মশালায় ট্রাফিক সার্জেন্ট, উপপরিদর্শক, পুলিশ পরিদর্শক, সহকারী পুলিশ কমিশনার ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারসহ ৭২ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের চারজন পরিদর্শক অংশ নেন।
