হোমখবরাখবর‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’: হাতের মুঠোয় জরুরি সেবা

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’: হাতের মুঠোয় জরুরি সেবা

আনোয়ার সাত্তার
,

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত জরুরি পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানকারী দেশের একমাত্র জরুরি হেল্পলাইন। আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ও কারিগরি সরঞ্জামাদি সংযোজন করে ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর কার্যক্রম শুরু করে ৯৯৯। ১০০টি ফোন লাইনে বাংলাদেশ পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের জনগণকে সফলতার সঙ্গে জরুরি সেবা প্রদান করে যাচ্ছে ৯৯৯। বর্তমানে বিপদগ্রস্ত ব্যক্তি যেকোনো ল্যান্ডফোন বা মোবাইল ফোন থেকে কল করে ৯৯৯-এর সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তবে ভবিষ্যতে এসওএস অ্যাপ ব্যবহার করে ভয়েস ও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এবং হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করেও ৯৯৯ থেকে জরুরি সেবা নিতে পারবেন। এটি সম্পূর্ণ টোল ফ্রি। অর্থাৎ ৯৯৯-এ কল করার জন্য কোনো কল চার্জ কাটা হয় না। এমনকি মোবাইল ফোনে কোনো ব্যালেন্স না থাকলেও ৯৯৯-এ কল করা যায়। ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে উদ্বোধনের পর থেকে ৩১ মে ২০২৬ পর্যন্ত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সর্বমোট ৭ কোটি ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৭টি কল রিসিভ করেছে। এর মধ্যে জরুরি ও বিভিন্ন তথ্যসহায়তা মিলিয়ে

৩ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার ১৬৮টি কলে বিভিন্ন ধরনের সেবা দেওয়া হয়েছে। এসব কলের মধ্যে ২৭ লাখ ৬ হাজার ৫৮৫টি ছিল রিয়েল ইমার্জেন্সি কল। এসব কলে সাড়া দিয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স জরুরি সেবা প্রদানের জন্য সরাসরি ঘটনাস্থলে গিয়েছে। জনপ্রিয়তার কারণে ৯৯৯ নম্বরে কলের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ২৫ হাজার ফোনকল ৯৯৯ নম্বরে গৃহীত হচ্ছে, যা ৯৯৯-এর ওপর বিপুল জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ।

জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মান উন্নয়নে বিশেষ কার্যক্রম

কলার আইডেন্টিফিকেশন অ্যান্ড লোকেশন ইন্টিগ্রেশন: সেবা গ্রহণকারীর অবস্থান জানার প্রয়োজনে কলার আইডেন্টিফিকেশন, এনআইডি, অ্যাড্রেস এবং জিও/বিটিএস লোকেশন ইত্যাদি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর সঙ্গে ইন্টিগ্রেশনের বিষয়টি চলমান রয়েছে। এসওএস অ্যাপ (বিডি ৯৯৯) তৈরি করে গুগল প্লে স্টোরে আপলোড করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এটি ফাংশনাল করা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
ফেসবুক পেজ ভেরিফিকেশন ও ৯৯৯ ওয়েবসাইট: প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ফেসবুক পেজের ভেরিফিকেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।
ওয়েবসাইট: জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর বর্তমান ওয়েবসাইট www.999.gov.bd আরও আধুনিকীকরণ ও তথ্যবহুল করার নিমিত্তে ওয়েবসাইটকে কাস্টমাইজ করার কাজ চলমান রয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস মনিটরিং অ্যাপ তৈরির কাজটি প্রক্রিয়াধীন। এমডিটি (মোবাইল ডাটা টার্মিনাল) রেসপন্স টাইম কমিয়ে এনে দ্রুততম সময়ে সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি থানার টহল গাড়িতে এমডিটি সংযোজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
৯৯৯ কমপ্লেক্স: ঢাকার ডেমরার আমুলিয়ায় ৯৯৯ কমপ্লেক্সের জন্য ২.২৭ একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে ৯৯৯ কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।
জনবল-সংক্রান্ত কার্যক্রম: জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর জন্য জনবল ও অর্গানোগ্রামের প্রস্তাব বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার স্থাপন: 

১০০ সিটের একটি ডিজাস্টার রিকভারি সেন্টার স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। কোনো কারণে বর্তমান সার্ভিস সেন্টারটি বন্ধ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ডিআর সেন্টার থেকে সেবা প্রদানের কার্যক্রম শুরু করার প্রয়োজনীয়তা আবশ্যক বিধায় একটি ডিআর সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯:

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ এবং এর বিভিন্ন কার্যক্রম মেইনস্ট্রিমের গণমাধ্যমে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে। ৯৯৯-এর বিভিন্ন জীবনরক্ষাকারী ও সেবামূলক ঘটনা গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পেয়েছে। ফলে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ ও বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জনগণের মধ্যে ৯৯৯ ও বাংলাদেশ পুলিশ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।

২০২৬ সালে ৯৯৯-এর সেবা দেওয়া কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা:

৯৯৯ নম্বরে পাকিস্তানি নাগরিকের ফোন; পারিবারিক সমস্যায় বিপর্যস্ত হয়ে আত্মহত্যার হুমকি
২০ জানুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার, উত্তরা, ঢাকা থেকে একজন পাকিস্তানি কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, তিনি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। চার বছর আগে বাংলাদেশি এক নারীকে তিনি বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের দুটি সন্তান আছে। অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের মিথ্যা অভিযোগে তাঁর স্ত্রী তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করে যাচ্ছেন। এ পর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, তিনি গাড়ি চালাতে চালাতে ফোন করছেন, মানসিকভাবে অত্যন্ত বিপর্যস্ত এবং এখন আত্মহত্যা করবেন। ৯৯৯ থেকে তাঁকে শান্ত হয়ে গাড়ি থামাতে উপর্যুপরি অনুরোধ করা হয় এবং আইনি সহায়তা ও পরামর্শের আশ্বাস দেওয়া হয়। কলারের বাসার ঠিকানা অনুযায়ী তৎক্ষণাৎ তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলিয়ে দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে তুরাগ থানা পুলিশের একটি টিম কলারের বাসায় যায়। কলারের সহকর্মী ও বন্ধুবান্ধবকে খবর দিয়ে আনানো হয় এবং কলারের শাশুড়িও খবর পেয়ে চলে আসেন। সবার উপস্থিতিতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া হয়। এ সময় স্বামী-স্ত্রী কেউই কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ দিতে রাজি হননি। পরবর্তীতে আইনি সহায়তার প্রয়োজন হলে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দাখিলের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিকল নৌকায় সাগরে ভাসছিলেন ৪ জেলে, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে উদ্ধার

২২ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বঙ্গোপসাগর থেকে ইদ্রিস নামে একজন জেলে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, তাঁরা চারজন জেলে ২১ জানুয়ারি ছোট একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে সেন্ট মার্টিন থেকে রওনা দেন। মাছ ধরার উদ্দেশ্যে। ছেঁড়াদ্বীপ পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর তাঁদের নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। বিকল নৌকায় তাঁরা ১২ ঘণ্টা ধরে সাগরে ভাসছিলেন। এর মধ্যে কয়েকটি ট্রলারের দেখা পেয়ে সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। স্রোতে আর ঢেউয়ে ভেসে ভেসে তাঁরা এখন কোথায় আছেন, ঠিক জানেন না। ঘন কুয়াশায় ভালোভাবে কিছু দেখাও যাচ্ছে না, তবে অনুমান করছেন ছেঁড়াদ্বীপ বা সেন্ট মার্টিনের আশপাশে কোথাও আছেন। ৯৯৯ থেকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত উদ্ধারের জন্য কোস্ট গার্ড কন্ট্রোল রুম এবং সেন্ট মার্টিন কোস্ট গার্ডকে জানানো হয়। সংবাদ পেয়ে সেন্ট মার্টিন কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল সকাল ১০টার দিকে ছেঁড়াদ্বীপ থেকে প্রায় ১২ কিমি (৫ নটিক্যাল মাইল) দূরত্বে গভীর সমুদ্রের বাদরপাথর এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় ৪ জেলেকে উদ্ধার করে। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সেন্ট মার্টিনে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ট্রেনে স্বর্ণের গয়নাসহ ব্যাগ রেখে নেমে গেলেন যাত্রী, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে উদ্ধার

১১ মার্চ ২০২৬, বুধবার, জামালপুর রেলস্টেশন থেকে মারুফ হোসেন মুনড়বা নামে একজন যাত্রী ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান, ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জগামী দেওয়ানগঞ্জ কমিউটার ট্রেনটিতে তিনি জয়দেবপুর থেকে উঠে জামালপুর স্টেশনে নেমে পড়েন। কিন্তু ভুলে তাঁর ট্রাভেল ব্যাগটি ট্রেনের ‘ঘ’ বগিতে ৩২ নম্বর সিটের ওপরের তাকে ফেলে আসেন। ব্যাগের ভেতরে নতুন বানানো একজোড়া স্বর্ণের কানের দুল, একজোড়া রুপার পায়ের মল, দরকারি কাগজপত্র এবং কাপড়চোপড় রয়েছে। সংবাদ পেয়ে দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে থানার একটি দল ট্রেনটি দেওয়ানগঞ্জ পৌঁছালে ব্যাগটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। কলারকে খবর দেওয়া হলে তিনি দেওয়ানগঞ্জ রেলওয়ে থানা থেকে ব্যাগটি বুঝে নিয়ে যান।

৯৯৯ নম্বরে ফোন করে ডাকাতি প্রতিরোধ ও গরুভর্তি ট্রাক উদ্ধার

১৫ মার্চ ২০২৬, রবিবার, রাত পৌনে ৩টায় হারুন নামে একজন ট্রাকচালক ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ৩২টি গরু নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে নওগাঁ বাইপাস রেলগেট এলাকায় একটি মিনি ট্রাকে করে কয়েকজন ব্যক্তি এসে তাঁর ট্রাককে ওভারটেক করে থামতে ইশারা দিচ্ছিলেন। কিন্তু তিনি না থেমে ট্রাক চালিয়ে যেতে থাকেন। এভাবে কিছুদূর যাওয়ার পর মিনি ট্রাকটি পুনরায় তাঁকে ওভারটেক করে অনেক দূর এগিয়ে গিয়ে রাস্তার মাঝখানে আড়াআড়ি করে থেমে পড়ে। তখন তিনি রাস্তার পাশে ট্রাক থামিয়ে নেমে পড়েন এবং কেবিনের দরজা লক করে দৌড়ে কিছুটা দূরে গিয়ে লুকিয়ে থেকে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। ৯৯৯ থেকে প্রাপ্ত সংবাদের প্রেক্ষিতে বগুড়ার আদমদীঘি থানার একটি টহল দল ট্রাকচালকের বর্ণনামতে আদমদীঘি শান্তাহার পৌরসভার কমলদোগাছি গ্রামের বাইপাস সড়কে দ্রুত গিয়ে পৌঁছে। ডাকাতেরা দূর থেকে পুলিশের টহল গাড়ি দেখতে পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে চালককে উদ্ধারকৃত গরুভর্তি ট্রাকটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

চলন্ত লঞ্চে মুমূর্ষু শিশু, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে উদ্ধার

ভোলা থেকে ঢাকাগামী কর্ণফুলী-৩ লঞ্চের যাত্রী সাত মাস বয়সী এক শিশু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এ সময় লঞ্চে থাকা একজন সহযাত্রী ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে এই তথ্য জানিয়ে দ্রুত চিকিৎসা ও উদ্ধার সহায়তার জন্য অনুরোধ জানান। ঘটনাটি ঘটে ১৩ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, দুপুরে। ৯৯৯ থেকে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সহায়তা এবং উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়ন্ত্রণ কক্ষে জানানো হয়। সংবাদ পেয়ে নারায়ণগঞ্জের পাগলা থেকে কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল জরুরি চিকিৎসা সহায়তাসহ রওনা দেয়। মুন্সীগঞ্জের মেঘনা নদীতে চলন্ত লঞ্চটিতে থাকা মুমূর্ষু শিশুটিকে অক্সিজেন সহায়তা দেওয়া হয়। এরপর অসুস্থ শিশুটিকে কোস্ট গার্ডের দ্রুতগামী স্পিডবোটে করে সদরঘাটে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সদরঘাট থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নিরলসভাবে ২৪/৭ বিরতিহীন কাজ করে চলেছে। জনগণের জরুরি মুহূর্তে বিপদের ভরসা হয়ে ৯৯৯-এর প্রশিক্ষিত কর্মীবাহিনী পেশাদারিত্বের সঙ্গে সেবা দিয়ে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনুকরণীয় মানদণ্ড (স্ট্যান্ডার্ড) স্থাপন করেছে। ৯৯৯ তার সকল সীমাবদ্ধতা, সীমিত জনবল এবং অপ্রতুল লজিস্টিকস নিয়েও বাংলাদেশ পুলিশ তথা বাংলাদেশের জনপ্রিয়তম হেল্পলাইন এবং আইকনিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ৯৯৯-এর সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে তা প্রত্যক্ষভাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে এবং পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করা যায়।

লেখক
পুলিশ পরিদর্শক (শ ও যা)
গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা 

সর্বাধিক পঠিত

সম্প্রতি

নাগরিক সংযোগ