নোয়াখালীতে নিখোঁজের আড়ালে সৎমা ও শিশুভাইকে হত্যার ঘটনায় দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন করেছে সিআইডি। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে কমলা খাতুন ও তাঁর ছেলে নোমানকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। এ ঘটনায় সিআইডি তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, ৯ মার্চ ২০২৪ থেকে কমলা খাতুন নিখোঁজ রয়েছেন উল্লেখ করে তাঁর সৎ ছেলে জিয়াউর রহমান সাগর সোনাইমুড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে কমলার ছোট বোন রহিমা বেগম বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে আদালতে পিটিশন মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে প্রথমে ডিবি এবং পরে সিআইডি নোয়াখালী মামলাটির অনুসন্ধান শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, আবুল কালাম আজাদ মৃত্যুর আগে দ্বিতীয় স্ত্রী কমলা খাতুন ও ছেলে নোমানের নামে বসতবাড়িসহ প্রায় ৩০ শতাংশ জমি লিখে দেন। এ সম্পত্তি নিয়েই প্রথম পক্ষের সন্তানদের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২১ মে ২০২৬ রাতে ময়মনসিংহ থেকে সাইফুল ইসলাম রাজন রাজুকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২২ মে জিয়াউর রহমান সাগর ও আশিকুর রহমান টিপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের তথ্য দেন।
