সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম গ্ল্যাডস্টোনের একটি বিখ্যাত উক্তি হলো, “জাস্টিস ডিলেইড ইজ জাস্টিস ডিনাইড”-অর্থাৎ বিলম্বিত ন্যায়বিচার কার্যত ন্যায়বিচার অস্বীকারেরই শামিল। এই বাস্তবতা বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় আজ অত্যন্ত স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত। বর্তমানে বাংলাদেশের আদালতসমূহে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় অর্ধকোটি। এই বিপুল মামলার জট ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে একটি গুরুতর প্রাতিষ্ঠানিক বাধা সৃষ্টি করেছে। ন্যায়বিচারের দীর্ঘসূত্রতা শুধু বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তিই বাড়ায় না, বরং বিচারব্যবস্থার ওপর জনআস্থা ক্ষুণ্ন করে এবং আইনের শাসনকে দুর্বল করে তোলে। এই প্রেক্ষাপটে একটি প্রশ্ন বারবার সামনে আসে-এই দীর্ঘসূত্রতার মূল কারণ কী এবং এর বাস্তবসম্মত সমাধানই বা কোথায়?
২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে বিচারকের সংখ্যা ২,৩০২ জন, অথচ মামলার সংখ্যা প্রায় ৪৭ লাখ। অর্থাৎ একজন বিচারকের ওপর গড়ে ২,০০০-এর বেশি মামলা পরিচালনার দায়িত্ব বর্তায়। বাস্তবিক অর্থে এই চাপ একজন বিচারকের পক্ষে কার্যকরভাবে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে মামলার তারিখ পিছিয়ে যায়, সাক্ষ্য গ্রহণ বিলম্বিত হয় এবং বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে। এই কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার ভেতরেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ ক্রমশ জটিল হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের সংবিধান (১৯৭২) ন্যায়বিচারের অধিকারকে রাষ্ট্রীয় নীতির একটি মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ৩১ অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, ৩২ অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সুরক্ষা এবং ৪৪(১) অনুচ্ছেদের সঙ্গে সংযুক্ত ১০২(১) অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের শরণাপন্ন হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব বিধান সম্মিলিতভাবে ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক কাঠামো নির্মাণ করেছে।
তবে সাংবিধানিক নিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, মাত্র এক-তৃতীয়াংশ জনগণ কার্যকরভাবে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও আনুষ্ঠানিক বিচারব্যবস্থার উচ্চ ব্যয়, দীর্ঘসূত্রতা, মামলার জট, রাজনৈতিক প্রভাব এবং প্রক্রিয়াগত জটিলতা সাধারণ মানুষের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার গবেষণা থেকে দেখা যায়, বাংলাদেশের আদালতগুলোতে দেওয়ানি মামলা নিষ্পত্তিতে গড়ে প্রায় ১০ বছরের বেশি সময় লাগে। এই তথ্যকেই ভিত্তি দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-এর (পিবিআই) হত্যা মামলার অনুসন্ধান বিষয়ক গবেষণা, পিবিআইয়ের একটি রিপোর্টের তথ্যে দেখা যায়, হত্যা মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে গড়ে প্রায় ১০ বছর ১১ মাস সময় লাগে। এই তথ্যগুলো থেকেই উপলব্ধি করা যায়, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় বিচারিক দীর্ঘসূত্রতার একটি বড় দায় রয়েছে। আর এই দীর্ঘসূত্রতার কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের সম্মুখীন হন সমাজের দরিদ্র, প্রান্তিক ও সামাজিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর মানুষ। আইন সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞানের অভাব, বিচারিক প্রক্রিয়ার জটিলতা বুঝতে ব্যর্থ হওয়া এবং তথাকথিত তদবির করার সক্ষমতা না থাকায় অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তারা বছরের পর বছর ধরে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে থাকেন। তাদের জন্য আইনগতভাবে আদালতের দ্বার উন্মুক্ত থাকলেও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি প্রায় অধরাই থেকে যায়। আবার এমন বহু নজির রয়েছে, বিচার চাইতে গিয়ে পরে কোর্ট-কাচারির ফি ও উকিলের খরচ মেটাতে গিয়ে বসতবাড়ি বিক্রি করে মানুষ সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে। এই বাস্তবতায় ন্যায়বিচারের বিকল্প ও পরিপূরক পথ হিসেবে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থার গুরুত্ব ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এডিআর বা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ধারণাটি একেবারেই নতুন নয়; বরং অনেক আগে থেকেই এই পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়ে আসছে। ইসলামী সমাজে ‘সুলহ’ পদ্ধতির মাধ্যমে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বিরোধ নিষ্পত্তির চর্চা বিদ্যমান ছিল। বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে ‘সালিশ’ দীর্ঘদিন ধরে একটি সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যদিও আদালতের বাইরে গিয়ে সমঝোতাভিত্তিক বিরোধ নিষ্পত্তির এই পদ্ধতিটি অনানুষ্ঠানিক এবং এর সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবুও বলা যায়, এটি বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।
আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে এডিআর-কে অন্তর্ভুক্ত করে এর সীমাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করলে এটি একদিকে বিচার ব্যবস্থায় আদালত-নির্ভরতা কমাবে, একই সঙ্গে এটি দেশের দীর্ঘদিনের সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তির চর্চাকে আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এডিআর বিশেষভাবে কার্যকর, কারণ এটি তুলনামূলকভাবে স্বল্প ব্যয়, দ্রুত নিষ্পত্তিযোগ্য এবং সহজলভ্য। বিশেষ করে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সময়, দূরত্ব ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা যেখানে ন্যায়বিচার প্রাপ্তির প্রধান প্রতিবন্ধকতা, সেখানে এডিআর একটি বাস্তবসম্মত সমাধান হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া বর্তমানে গ্রাম বা মহল্লার সালিশ বা পঞ্চায়েতগুলোতে জনপ্রতিনিধি, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের পাশাপাশি পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকেন, যা এটিকে অঘোষিতভাবেই অনেকটা সেমি-প্রাতিষ্ঠানিকতায় রূপ দিয়েছে।
সম্প্রতি পিবিআইয়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের বিশেষ কিছু মামলার বিচারকাজে প্রায় ৮০ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। বিপরীতে, এডিআর পদ্ধতিতে সপ্তাহ বা কয়েক মাসের মধ্যেই বিরোধ নিষ্পত্তি সম্ভব হয়। এই সময় ও ব্যয়ের পার্থক্যই সাধারণ মানুষের কাছে এডিআর-কে অধিক গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে এবং একই সঙ্গে আদালতের ওপর মামলার অতিরিক্ত চাপ হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। এডিআর কার্যকর করতে হলে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোও অপরিহার্য। বাংলাদেশে এই কাঠামোর অন্যতম প্রধান মাধ্যম হতে পারে রাষ্ট্রীয় লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা।
যদিও সংবিধানে লিগ্যাল এইডকে সরাসরি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্পষ্টভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, তথাপি সংবিধানের প্রস্তাবনা, ১৪, ২৭, ৩১, ৩৩ ও ৩৫ অনুচ্ছেদের আলোকে একে ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার, আইনের সমান সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচারের সাংবিধানিক চেতনার অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়। তবে এর সরাসরি কার্যকর আইনি ভিত্তি মূলত লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস অ্যাক্ট, ২০০০। সাম্প্রতিক সময়ে আইনগত সহায়তা প্রদান (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ সংশোধনের মাধ্যমে লিগ্যাল এইড ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে চিফ লিগ্যাল এইড অফিসারের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং তফসিলভুক্ত ৯ ধরনের বিরোধ আদালতে নেওয়ার আগে লিগ্যাল এইড ব্যবস্থার মাধ্যমে আপস-মীমাংসার উদ্যোগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এসব বিরোধের মধ্যে রয়েছে পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারভুক্ত দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, দেনমোহর, ভরণপোষণ, শিশুদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান, বাড়িভাড়াসংক্রান্ত বিরোধ, সিভিল. জজ আদালতের বণ্টনসংক্রান্ত বিরোধ, পিতামাতার ভরণপোষণসংক্রান্ত বিরোধ, তিন লাখ টাকা পর্যন্ত চেক ডিজঅনারের অভিযোগ এবং যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতনসংক্রান্ত অভিযোগ। এর উদ্দেশ্য হলো আদালতে মামলা দায়েরের আগেই দ্রুত, কম খরচে এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পথ তৈরি করা।
প্রাথমিকভাবে ২০ জেলায় এই ব্যবস্থা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার হিসেবে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তারা কাজ করছেন। জেলাগুলো হলো-ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সিলেট, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ। মাঠপর্যায়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য সাবেক বিচারক ও অভিজ্ঞ আইনজীবীদের নিয়ে মধ্যস্থতাকারী নেটওয়ার্কও গড়ে তোলা হয়েছে। তাঁরা আদালতে যাওয়ার আগেই বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করছেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই প্রক্রিয়ায় সম্পাদিত বিরোধ নিষ্পত্তির চুক্তিনামা আদালতের রায় বা ডিক্রির মতোই কার্যকর হওয়ার সুযোগ রাখে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে এ ব্যবস্থার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। আইন মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সংশোধনীর পর যে ১২ জেলায় চিফ লিগ্যাল এইড অফিসাররা কাজ করছেন, সেখানে তফসিলভুক্ত বিরোধের মামলা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত সাত মাসে আগের সাত মাসের তুলনায় বাধ্যতামূলক বিরোধ নিষ্পত্তিসংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে দায়ের হওয়া সাত ধরনের মামলা ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। এই তথ্য এডিআর ও লিগ্যাল এইড ব্যবস্থার কার্যকারিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়।
বাস্তবে লিগ্যাল এইড কাঠামোর মাধ্যমেই আলোচনা, মধ্যস্থতা, মীমাংসা, সালিশি ও আপসযোগ্য বিরোধ নিষ্পত্তির মতো এডিআর পদ্ধতিগুলো পরিচালিত হচ্ছে। প্রচলিত আদালতকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থা যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, সেখানে এডিআর সহযোগিতা ও সম্মতিভিত্তিক সমাধানকে উৎসাহিত করে। লিগ্যাল এইড সার্ভিস (অ্যামেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স, ২০২৫ বিভিন্ন দেওয়ানি ও পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদালতের বাইরে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়াকে বাধ্যতামূলক করা, ন্যায়বিচার প্রাপ্তি সহজ ও দ্রুততর করা এবং মামলার চাপ কমানোর ওপর জোর দিয়েছে। এর ফলে পারস্পরিক আস্থা, গোপনীয়তা এবং সামাজিক সম্পর্ক সংরক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে এডিআর কার্যক্রম পরিচালনা করে এলেও, বিদেশি অনুদানের ওপর নির্ভরশীলতার কারণে সেগুলো নানা ধরনের চাপ ও সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় লিগ্যাল এইড ব্যবস্থা একটি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও প্রাতিষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবুও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, প্রশাসনিক অনমনীয়তা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং সামাজিক বৈষম্য অনেক ক্ষেত্রে এডিআর-এর নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ করে। লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর পর্যাপ্ত অন্তর্ভুক্তির অভাবও একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমাবদ্ধতা। এসব প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে হলে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষ মধ্যস্থতাকারী ও সালিশকারীদের প্রশিক্ষণ এবং আদালতের সঙ্গে এডিআর-এর কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য। সবশেষে বলা যায়, এডিআর এককভাবে আদালতের মামলার জট বা বিচারিক দীর্ঘসূত্রতার মতো সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারবে না। তবে বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা ও মামলার জটের বাস্তবতায় এগুলো একটি কার্যকর, সময়োপযোগী ও মানবিক পরিপূরক পথ। আদালতকেন্দ্রিক বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে এডিআর-কে শক্তিশালী ও জবাবদিহিমূলকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করা গেলে ন্যায়বিচার কেবল সাংবিধানিক ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব জীবনেও অর্থবহ ও সহজলভ্য রূপ লাভ করবে।
লেখক
মাস্টার্স শিক্ষার্থী
ক্রিমিনোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
