বুধবার, জুন ৩, ২০২৬
37.7 C
Dhaka

ডিটেকটিভ পাবলিশার

হোমপ্রবন্ধপুলিশ সপ্তাহ ২০২৬প্লুরাল পুলিশিং হতে পারে বর্তমান বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের এক কার্যকর উপায়

প্লুরাল পুলিশিং হতে পারে বর্তমান বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের এক কার্যকর উপায়

ড. এম. এ. সোবহান, পিপিএম 
,

প্লুরাল পুলিশিং মডেল হলো প্রচলিত রাষ্ট্রীয় পুলিশিং ব্যবস্থা থেকে ভিন্নতর এক পুলিশিং ব্যবস্থা, যেখানে অনেক বৈচিত্র্য থাকে। অর্থাৎ, সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশিং করা হয়।

অন্য কথায়, প্লুরাল পুলিশিং বলতে ওই সমস্ত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা, এজেন্সি, কমিউনিটি, ছাত্র, ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গকে বোঝায়, যারা আইনশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে জড়িত। উপরন্তু, যারা পুলিশিংয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে চান এবং পুলিশকে সহায়তা করতে চান, রাষ্ট্রীয় পুলিশ এ ক্ষেত্রে সকল অংশীজনের সঙ্গে যোগাযোগ, মিথস্ক্রিয়া ও সমন্বয় সাধন করে থাকে।

এরূপ সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে একত্রে পুলিশিং করাকে প্লুরাল পুলিশিং বলে। বাংলাদেশে যেহেতু পুলিশ ও জনগণের অনুপাত অনেক কম এবং দেশের মানুষ কিছুটা আন্দোলনমুখী, তাই রাষ্ট্রের অন্যান্য সরকারি, বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি ও গোষ্ঠীকে পুলিশের কাজে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। নিম্নে প্লুরাল পুলিশিংয়ের ব্যাপ্তি বৃদ্ধি ও কার্যাবলি বর্ণিত হলো:

আন্তঃসংস্থা সহযোগিতা ও রাষ্ট্রীয় পুলিশিংয়ের পরিধি বৃদ্ধি

প্লুরাল পুলিশিংয়ের বিস্তৃত ধারণা ও কার্যক্রম বাংলাদেকমিউনিটি ও ব্যক্তি মিলিতভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। রাষ্ট্রীয় পুলিশের একক সক্ষমতা সীমিত হওয়ার কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা করার মাধ্যমে এটি ফলপ্রসূ হতে পারে।

এজন্য প্রথমত, আন্তঃসংস্থা সহযোগিতা বা মাল্টি-এজেন্সি হাবের মাধ্যমে পুলিশকে অন্যান্য সংস্থার সহায়তা নিতে হবে। যেমন ট্রান্সপোর্ট পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ, মেট্রোপলিটন পুলিশ, নৌ-পুলিশ, যারা বিশেষায়িত দক্ষতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করে থাকে।

শে কার্যকর আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় অন্যতম শক্তিশালী উপায় হতে পারে। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিবেশগত স্বাস্থ্য কর্মকর্তাও বিভিন্ন স্থানে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণজনিত অপরাধ মোকাবিলা করেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

দ্বিতীয়ত, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ধারণা অনুযায়ী, কমিউনিটি সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরাধ প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে। তাদের অপরাধ সমাধান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং অপরাধ মোকাবিলায় সক্রিয় করতে হবে। ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি গঠনও অপরাধপ্রবণ এলাকায় কার্যকর হতে পারে, যেখানে স্থানীয় জনগণ ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সদস্যদের নিয়ে অপরাধ প্রতিরোধে অংশ নিতে পারে।

এছাড়াও বাণিজ্যিক প্রাইভেট সিকিউরিটি বাহিনীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রাইভেট সিকিউরিটির সদস্যরা করপোরেট অফিস, শপিংমল, আবাসিক কমপ্লেক্স এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। তারা সিসিটিভি পরিচালনা, সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বায়োমেট্রিক অ্যাকসেস পরিচালনা করে থাকে, যা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সাহায্য করে। প্রাইভেট সিকিউরিটির সদস্যরা মোবাইল টহল, ইভেন্ট সিকিউরিটি এবং অভ্যন্তরীণ অপরাধ তদন্তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সবশেষে, বিশেষায়িত পুলিশিং এবং হাইব্রিড পুলিশিং মডেলগুলোর মাধ্যমে শপিংমল, বিশ্ববিদ্যালয়, বন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে পুলিশ ও জনতা যৌথ উদ্যোগে কাজ করতে পারে। একইভাবে পার্ক রেঞ্জার্স ও গ্রামাঞ্চলে ওয়ার্ডেন নিয়োগ করে প্রাকৃতিক স্থানগুলোতে নিরাপত্তা প্রদান করা সম্ভব।

এছাড়া অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থার সহায়তা অপরিহার্য, যেমন ইমিগ্রেশন টহল, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং শুল্ক কর্তৃপক্ষের দ্বারা আর্থিক অপরাধ তদন্ত। এর মাধ্যমে একাধিক প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে কাজ করে পুলিশকে সহায়তা প্রদান করতে পারে, যার ফলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী ও সামগ্রিকভাবে পরিচালিত হতে পারে।

বাংলাদেশে প্লুরাল পুলিশিংয়ের গুরুত্ব

বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ এক দেশ এবং এখানে প্রাকৃতিক সম্পদের অপ্রতুলতা রয়েছে। বর্তমানে দিন দিন মানুষ অনেকটা অসহিষ্ণু হয়ে যাচ্ছে এবং এখানে অনেক জটিল নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। সেজন্য রাষ্ট্রীয় পুলিশের একার পক্ষে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আবেগপ্রবণ জনতা ব্যবস্থাপনা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনমানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কষ্টকর। প্লুরাল পুলিশিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো নিম্নে বর্ণনা করা হলো:

রাষ্ট্রীয় পুলিশের সংখ্যার ঘাটতি ও তা পূরণ করা

বাংলাদেশে পুলিশ ও নাগরিকের অনুপাত বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম। প্রায় ১:১১০০ অনুপাত, যা রাষ্ট্রীয় পুলিশের জন্য একা কার্যকরভাবে সর্বত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন করে তোলে। এই সমস্যার সমাধানে গ্রাম পুলিশ বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে। চৌকিদার, দফাদারদের মতো গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সক্রিয় করে তোলার মাধ্যমে তারা স্থানীয় এলাকায় অপরাধ-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে পারে, যা পুলিশের কাজকে সহজ করে তুলবে।

পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ভিলেজ ডিফেন্স পার্টি গঠন করে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের হাতে বাঁশি ও লাঠি দিয়ে পাহারা দেওয়া যেতে পারে, যার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারবে।

অন্যান্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান থেকে তথ্য সংগ্রহ

অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সহযোগী হিসেবে অন্যান্য সংস্থার কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যেমন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় এলাকার বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করতে পারেন।

এছাড়া সাংবাদিকরাও অনেক সময় জনগণের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে পুলিশকে সহায়তা করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে তাদের সাহায্যও নেওয়া যেতে পারে। বিশেষ করে উন্নয়নকর্মী বা এনজিও

কর্মীরা, যারা তৃণমূল এলাকায় কাজ করেন, তারা পুলিশকে বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তথ্য প্রদান করতে পারেন, যা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষভাবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এই ধরনের সহায়তার মাধ্যমে পুলিশ অপরাধ নির্মূলে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

নগরায়ণ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরাপত্তা প্রদান

বাংলাদেশের বড় শহরগুলো, বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দ্রুত নগরায়ণ হয়েছে। এর ফলস্বরূপ প্রাইভেট সিকিউরিটি সংস্থাগুলোর চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। করপোরেট অফিস, শপিংমল, আবাসিক কমপ্লেক্স, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি এবং অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, যার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সহজতর হচ্ছে।

এই প্রাইভেট সিকিউরিটি সদস্যরা গেটে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ, ২৪ ঘণ্টা টহল দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানের সম্পদ রক্ষা করে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন। পুলিশ যখন প্রয়োজনীয় সমন্বয় এবং যোগাযোগ রাখে, তখন এই প্রাইভেট সিকিউরিটি সদস্যদের সঠিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়, যা পুলিশের কাজের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় তৈরি করে। এটি একটি শক্তিশালী মডেল, যা নগর নিরাপত্তার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং তাদের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা

কমিউনিটি পুলিশিংয়ে কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রামাঞ্চলে বয়স্ক ব্যক্তিরা সালিশকারীর ভূমিকা পালন করে আসছেন, যেখানে তারা সাধারণত ছোটখাটো বিরোধ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং জমিজমা-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করে থাকেন।

এই প্রক্রিয়াটি আদালত ও পুলিশ বিভাগের অতিরিক্ত বোঝা কমিয়ে দেয় এবং পুলিশও এ ধরনের বিকল্প সমাধানকে উৎসাহিত করতে পারে। এর মাধ্যমে আদালতে আসা অনেক ছোট সমস্যা কমিয়ে আনা সম্ভব এবং পুলিশকে অপরাধমূলক কার্যক্রমে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এছাড়া স্কুলগুলোতে পুলিশ কিশোর ক্লাব গঠন করতে পারে, যেখানে শিক্ষার্থীদের অপরাধ প্রতিরোধ ও সচেতনতার দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে। এই ধরনের ক্লাব গঠন করে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করা যেতে পারে। এতে নতুন প্রজন্মের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি শক্তিশালী সামাজিক সমর্থন তৈরি হবে।

বিশেষায়িত পুলিশ এবং নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য পুলিশিং

বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয় সিকিউরিটি ব্যবস্থা থাকে, যা সাধারণত ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং যে কোনো সংকটকালীন পরিস্থিতিতে পুলিশকে সহায়তা প্রদান করে থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা, বিশেষ করে সংকটের সময়ে, পুলিশকে সহায়তা প্রদান করে অপরাধ প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারেন। তাদের আরও প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়িয়ে আরও শক্তিশালী পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।

এছাড়া শিল্প পুলিশ বিশেষভাবে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, ইপিজেড, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি ও শিল্প-কারখানায় নিয়োজিত থাকে, যা শ্রমিক-মালিক দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করে থাকে এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখে। শিল্প পুলিশ শ্রমিক অস্থিরতা নিবারণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অর্থনৈতিক সম্পদ রক্ষা করার জন্য কাজ করে থাকে। এদের প্রশিক্ষণ বাড়ানো এবং আরও জনবল নিয়োগ করা গেলে গার্মেন্টস ও ফ্যাক্টরিগুলোতে আরও কার্যকর পুলিশিং নিশ্চিত করা যাবে।

সন্ত্রাসবাদ দমন ও ইন্টেলিজেন্স সংগ্রহ

বাংলাদেশ পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট এবং কাউন্টার টেররিজম ইউনিট সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং হুমকি ট্র্যাক করার জন্য কমিউনিটি সদস্য, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বিএফআইইউ এবং টেলিকম রেগুলেটরের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। এ ধরনের নেটওয়ার্ক এবং সংস্থার সহায়তা অপরিহার্য, কারণ তারা সন্ত্রাসীদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং সন্ত্রাসী হামলার তথ্য সরবরাহ করতে পারে।

পুলিশ সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এককভাবে সফল হতে না পারলেও অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, যা দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করবে।

প্লুরাল পুলিশিংয়ে মূলত সমাজের সকল এজেন্সি এবং সকল স্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয় ও অংশগ্রহণে পুলিশিং করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বর্তমান অসহিষ্ণুতা, অপরাধপ্রবণতা, আইন না মানার সংস্কৃতি, মানুষের নৈতিক ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষিতে পুলিশকে সকল পক্ষ থেকে সহযোগিতা করতে হবে। বাংলাদেশ পুলিশকেও সকলের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া, যোগাযোগ, সমন্বয়, শেয়ারিং ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে পুলিশিং করতে হবে। তাহলেই দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রত্যাশিত উন্নয়ন সাধিত হবে।

লেখক
ডিআইজি
পুলিশ স্টাফ কলেজ

সম্প্রতি

নাগরিক সংযোগ