২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এই অভ্যুত্থান কেবল শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনের প্রশ্নই সামনে আনেনি, বরং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, জবাবদিহিতা ও জনসম্পৃক্ততা নিয়েও নতুন করে ভাবনার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
এই নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রায় বাংলাদেশ পুলিশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে পুলিশের ভূমিকা ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে, আর এর ফলেই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা প্রায় তলানিতে নেমে আসে। এমন নৈতিক বিপর্যয়ের ফলে পুলিশের অভ্যন্তরীণ কাঠামোও মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়ায় বহু পুলিশ সদস্য জনরোষের মুখে থানা ত্যাগ বা আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হন।
পরবর্তী সময়ে পুলিশের জন্য প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়ায় বাহিনীর মনোবল পুনরুদ্ধার, মাঠপর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং কমান্ড কাঠামো পুনর্গঠন। নতুন নেতৃত্ব নিয়োগ, রাজনৈতিকভাবে অতি-উৎসাহী কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া এবং এক ধরনের শুদ্ধি প্রক্রিয়া শুরু করার মধ্য দিয়ে পুলিশকে আবার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তিতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে উচ্চপদস্থ পর্যায় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয় যে, পুলিশের কর্মকাণ্ড আর কোনো রাজনৈতিক দলের নির্দেশনায় না হয়ে আইনের শাসন এবং পেশাগত নীতির ভিত্তিতেই পরিচালিত হবে।
দীর্ঘ দেড় দশকের রাজনৈতিক প্রভাব, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং জনআস্থার সংকটের কলঙ্ক মুছে ফেলে একটি পেশাদার ও জনবান্ধব বাহিনী হিসেবে নিজেদের পুনর্গঠন করাই হয়ে ওঠে পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। তারই ধারাবাহিকতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ পুলিশ তার সামর্থ্যের পরিচয় রাখে। এই নির্বাচনে পুলিশের সফল ভূমিকা নতুনভাবে আলোচনায় আসে এবং এর মধ্য দিয়ে বাহিনীটির প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠনের একটি সম্ভাবনাও তৈরি হয়।
এই প্রেক্ষাপটে, বর্তমান বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ প্রয়োজনের আলোকে পুলিশের সংস্কার, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্বের একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নিরপেক্ষতার পরীক্ষা ও সাফল্যের ভিত্তি
বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ছিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিগত কয়েকটি নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতার পর এই নির্বাচনটি ছিল পুলিশের জন্য নিজেদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার এবং সক্ষমতা প্রমাণের একটি অনন্য সুযোগ। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে এবং এটি নতুন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার সূচনা হিসেবে কাজ করেছে।
নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ একটি বিশাল নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। সেগুলো হলো—
- নিরাপত্তা বাহিনীর প্রায় দশ লাখ সদস্য এই নির্বাচনে মোতায়েন করা হয়েছিল।যার মধ্যে পুলিশ ছিল প্রধান অংশীদার। এই বিশাল জনবলকে সুশৃঙ্খলভাবে মোতায়েন করা এবং একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা ছিল একটি জটিল চ্যালেঞ্জ। নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে কৌশল ও প্রযুক্তির পাশাপাশি পুলিশের অভ্যন্তরে দায়িত্ব পালনের মানসিকতায়ও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যায়।দীর্ঘদিনের বিতর্ক ও সমালোচনার পর বাহিনীর একটি বড় অংশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে নিজেদের ভূমিকা নতুনভাবে মূল্যায়ন করতে শুরু করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয় প্রশাসনিক কিছু বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগের নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকা রাখা অনেক কর্মকর্তাকে এবার নির্বাচনী দায়িত্বে রাখা হয়নি।
- মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী প্রায় এক লাখ পঞ্চাশ হাজার পুলিশ সদস্যের জন্য হাতে-কলমে নির্বাচন বিষয়ক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়; আর এ ধরনের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ এই প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়। ডামি ভোটকেন্দ্র ও বুথ তৈরি করে বাস্তব পরিস্থিতির মতো অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হয় এবং ইন্সপেক্টর ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য একটি হ্যান্ডবুক সরবরাহ করা হয়, যাতে প্রাসঙ্গিক আইন, করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরা ছিল। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়, ফলে মাঠপর্যায়ের সদস্যরা তুলনামূলকভাবে স্বাধীন ও পেশাদার পরিবেশে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
- প্রযুক্তির ব্যবহারও এই নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করে তোলে। প্রায় ৪০ হাজার পুলিশ সদস্যকে বডি-ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হয়। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বরত সদস্যদের কার্যক্রম কন্ট্রোল রুম থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- পাশাপাশি বড় শহর ও দুর্গম এলাকায় ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারি চালানো হয়। নির্বাচনপূর্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। থানাগুলো থেকে লুণ্ঠিত আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধার, বিপুল পরিমাণ গুলি ও বিস্ফোরক জব্দ এবং বিশেষ তল্লাশি অভিযানের ফলে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী তৎপরতা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়।
- এসব পদক্ষেপের ফলে নির্বাচনের সময় পুলিশের প্রতিটি স্তরে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা আরও দৃশ্যমান হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সহায়তা, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সক্রিয় ও পেশাদার ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বিজিবি, সেনাবাহিনী ও র্যাবের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রমও নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করে তোলে।
সর্বোপরি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের নিরপেক্ষতার ফলে ভোটারদের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। নির্বাচন কমিশনের হাতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা থাকায় পুলিশ রাজনৈতিক চাপমুক্ত হয়ে কাজ করতে পেরেছে। এর ফলে নির্বাচনে সুস্থ প্রতিযোগিতা এবং অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত হয়েছে, যা একটি টেকসই গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। পুলিশের এই সফল ভূমিকা প্রমাণ করেছে যে প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ পুলিশ যেকোনো জটিল পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম।
গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুলিশের করণীয়
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পুলিশের ভূমিকা শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বা অপরাধ দমনেই সীমাবদ্ধ নয়। একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় পুলিশকে একই সঙ্গে রাষ্ট্রের আইনি কর্তৃত্ব, নাগরিকের অধিকার এবং জনআস্থার মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করতে হয়।
কিন্তু বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে যে বিতর্ক, অবিশ্বাস ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্ট করে যে বাহিনীটির কাঠামো, আচরণ, জবাবদিহিতা এবং জনসম্পৃক্ততার বিষয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা আরও জোরালোভাবে সামনে এনেছে যে জনসমর্থনহীন, অস্বচ্ছ এবং অমানবিক পুলিশিং কোনো টেকসই গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সহায়ক হতে পারে না। বরং এমন এক পুলিশিং কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন, যা আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিক মর্যাদা, মানবাধিকার এবং সামাজিক আস্থাকে সমান গুরুত্ব দেয়।
এই কারণেই বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় পুলিশকে একটি সত্যিকার অর্থে জনমুখী, পেশাদার এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে হলে কিছু মৌলিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন অপরিহার্য।
প্রথমত:
পুলিশিংয়ের ধারণাকেই নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে। জাতিসংঘ ও ওএসসিই নির্দেশিত গণতান্ত্রিক পুলিশিংয়ের আলোকে পুলিশের প্রশিক্ষণ, আচরণবিধি ও কার্যক্রম পুনর্গঠন করা প্রয়োজন; যাতে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, জনগণের সম্মতি এবং মানবাধিকার সুরক্ষা বাস্তব অর্থে বাহিনীর কাজের ভিত্তি হয়ে ওঠে।
দ্বিতীয়ত:
হেফাজতে নির্যাতন, বেআইনি বলপ্রয়োগ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে। এজন্য প্রতিটি জেলায় কার্যকর মানবাধিকার সেল গঠন, হেফাজতে মৃত্যু বা নির্যাতনের অভিযোগে বাধ্যতামূলক নিরপেক্ষ তদন্ত এবং এসব বিষয়ে সরাসরি উচ্চপর্যায়ে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা চালু করা জরুরি।
তৃতীয়ত:
পুলিশ ও জনগণের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে কমিউনিটি পুলিশিংকে কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবে কার্যকর করতে হবে। পুলিশকে জনগণের প্রতিপক্ষ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে থানাকে সেবাকেন্দ্রে রূপান্তর, নাগরিকবান্ধব রিসিপশন ডেস্ক, নারী ও শিশুবান্ধব পরিবেশ এবং জিডি ও এফআইআর প্রক্রিয়ার ডিজিটাল ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যেতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিটি থানা এলাকায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, আইনজীবী ও স্থানীয় নাগরিকদের সমন্বয়ে নাগরিক তদারকি কমিটি গঠন করলে পুলিশের কাজে সামাজিক নজরদারি ও পারস্পরিক আস্থা বাড়বে।
চতুর্থত:
বাহিনীর অভ্যন্তরীণ কল্যাণ নিশ্চিত না করে পেশাদার পুলিশিং আশা করা বাস্তবসম্মত নয়। অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা কমানো, পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা এবং সদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের উদ্যোগ নিতে হবে। একজন ক্লান্ত, অনিরাপদ ও চাপে থাকা সদস্যের কাছ থেকে সংযত ও মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করা কঠিন।
পঞ্চমত:
প্রশিক্ষণ কাঠামোতেও মৌলিক পরিবর্তন আনতে হবে। কেবল শারীরিক সক্ষমতা নয়, মনস্তাত্ত্বিক প্রস্তুতি, জেন্ডার সংবেদনশীলতা, সংকট ব্যবস্থাপনা, নাগরিক অধিকার এবং পেশাগত নৈতিকতাকে প্রশিক্ষণের কেন্দ্রে আনতে হবে। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এই প্রশিক্ষণকে আরও আধুনিক ও প্রাসঙ্গিক করা যেতে পারে।
সংক্ষেপে, পুলিশের কাঠামোগত সংস্কার, মানবাধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি, সামাজিক অংশীদারিত্ব এবং অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি—এই চারটি ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া গেলে বাংলাদেশ পুলিশ নতুন গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার একটি নির্ভরযোগ্য ও আস্থাভাজন সঙ্গী হয়ে উঠতে পারবে।
বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক বাস্তবতায় পুলিশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানুষের আস্থা অর্জন করা। কারণ একটি বাহিনীর প্রকৃত ক্ষমতা তার ন্যায়সঙ্গত আচরণ, জবাবদিহিতা, মানবিকতা এবং পেশাদারিত্বে নিহিত থাকে।
সে কারণে এখন প্রয়োজন পুলিশের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত উৎকর্ষ, মানবাধিকার সুরক্ষা, সামাজিক অংশীদারিত্ব এবং সদস্যদের অভ্যন্তরীণ কল্যাণ নিশ্চিত করা। এই ক্ষেত্রগুলোতে বাস্তব অগ্রগতি অর্জন করা গেলে বাংলাদেশ পুলিশ নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এক নির্ভরযোগ্য, শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য বাহিনী হয়ে উঠবে বলে আশা করা যায়।
লেখক
অতিরিক্ত আইজিপি
ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ
