পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬ উদযাপনের এ আনন্দঘন মুহূর্তে বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন। এ শুভক্ষণে আমি দেশের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকেও উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
আমি মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল পুলিশ সদস্যকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি এবং তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। দেশ ও জনগণের সেবায় জীবন উৎসর্গকারী সকল পুলিশ সদস্যের প্রতিও জ্ঞাপন করছি অশেষ শ্রদ্ধা।
বাংলাদেশ পুলিশ অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদক, সাইবার ক্রাইম, অর্থনৈতিক অপরাধসহ সকল ধরনের অপরাধ দমন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নানা ধরনের কার্যক্রম চালু করেছি; তন্মধ্যে অনলাইন জিডি অন্যতম। বাংলাদেশ পুলিশ পরিচালিত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ইতোমধ্যে জনগণের একান্ত আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে জনগণের সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।
বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমরা পুলিশের কার্যক্রমকে আরও জনবান্ধব, গতিশীল ও জবাবদিহিমূলক করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
এবারের পুলিশ সপ্তাহের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে— “আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”। আমরা জনগণের পুলিশ হিসেবে তাদের পাশে থেকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সেবা দিতে চাই। জনগণের আস্থা অর্জনে দেশের প্রতিটি জেলার সদর থানাকে জিরো কমপ্লেইন থানা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
আমি আশা করি, এর ফলে জনগণের সাথে পুলিশের আস্থার সম্পর্ক আরও নিবিড় হবে। দেশের সম্মানিত নাগরিকগণও পুলিশের কাজে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে আমার দৃঢ় প্রত্যাশা।
আমি পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর সকল আয়োজনের সার্বিক সাফল্য ও সার্থকতা কামনা করছি।
