কর্তব্যনিষ্ঠা, সাহসিকতা এবং জনহিতকর কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ সদস্যকে পুরস্কার, সনদ ও আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। ২০ জুন ২০২৬ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার প্রদান করেন। চারটি বিশেষ ঘটনায় কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে জনভোগান্তি লাঘবে ট্রাফিক পুলিশের দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ, আদাবরে অস্ত্রধারী ছিনতাইকারী গ্রেফতারে সাহসিকতা, আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং চকরিয়ায় ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ যৌন সহিংসতার মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনা।
১০ জুন ২০২৬ ভারী বর্ষণে কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভারের লুপ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে ট্রাফিক কনস্টেবল মো. কামরুজ্জামান নিজ উদ্যোগে ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করেন। এতে দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আদাবরে ছিনতাইকারী ধরতে অভিযানে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সাহসিকতার জন্য আদাবর থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরসহ আভিযানিক দলের সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। এ ছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতারে জেলা ডিবি ও থানা পুলিশের সদস্যরা এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় আলোচিত মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা পুরস্কার পান। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, আইজিপিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
