বুধবার, এপ্রিল ৮, ২০২৬
29 C
Dhaka

ডিটেকটিভ পাবলিশার

হোমখবরাখবরঅভিযানের খবরটাকার লোভে ৪ বছরের ভাতিজি অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা: পিবিআই জামালপুর কর্তৃক...

টাকার লোভে ৪ বছরের ভাতিজি অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যা: পিবিআই জামালপুর কর্তৃক গ্রেফতার ২, উভয়ের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি

ডিটেকটিভ ডেস্ক
,

গত ০৯/০৯/২০২৩ খ্রি. তারিখ সকাল আনুমানিক ০৮:০০টায় ভিকটিম নুসরাত জাহান হাবিবা (৪)-এর পিতা সংসারিক বাজার করার উদ্দেশ্যে বাঘারচর বাজারে যাওয়ার পথে ভিকটিম নুসরাতকে শফিজলের দোকান থেকে দুটি শিঙাড়া কিনে দিয়ে একা বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বেলা ১১:০০টায় তিনি বাড়িতে ফিরে তার স্ত্রী’র নিকট জানতে পারেন নুসরাত বাড়িতে পৌঁছায়নি। সন্ধান না পেয়ে ১০/০৯/২০২৩ খ্রি. তারিখ দেওয়ানগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়।পরদিন ১১/০৯/২০২৩ খ্রি. সকাল ৫:৩০ ঘটিকার সময় বাড়ির আঙিনায় নুসরাতের জখম অবস্থায় মৃতদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা নং-০৮, তারিখ-১২/০৯/২০২৩ খ্রি., ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোডে দায়ের করেন।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে পিবিআই জামালপুর জেলা মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে এবং বর্তমানে এসআই (নিঃ) মোঃ স্বপন মিয়া মামলাটি তদন্ত করছেন।পিবিআই-এর তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভিকটিমের আপন চাচা সন্দিগ্ধ আসামি মোঃ আমির হামজা (৩৫), পিতা- মোঃ বাচ্চু মিয়া, বাঘারচর বেপারীপাড়া, দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুরকে তার নিজ বসতবাড়ি হতে গ্রেফতার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে নিহতের বাবার চাচাতো ভাই আল-আমিন (৩২)-কে গ্রেফতার করা হয়। দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।পিবিআই-এর তদন্ত ও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকে জানা যায় যে, টাকার লোভে আপন ভাতিজি নুসরাত জাহান হাবিবাকে অপহরণের পরিকল্পনা করে চাচা আমির হামজা ও আল-আমিন। বাড়ির পাশে রাস্তায় অবস্থানকালে হাবিবাকে তুলে নিয়ে মুখ চেপে ধরে জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় শ্বাসরোধে অচেতন হয়ে পড়ে ছোট্ট মেয়েটি। সেই মুহূর্তে আল-আমিন তার ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরলে শিশুটির কান্না ও চিৎকারে পুনরায় মুখ চেপে ধরা হয়। এ সময় চার বছরের শিশুর মৃত্যু হয়।অপরাধ ঢাকতে আরও নৃশংসতা করে তারা। শিশুটির দেহে ব্যাটারির এসিড ঢেলে বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়। প্রথমে জঙ্গলে পাতা দিয়ে ঢেকে লাশ রাখা হয়। পরে রাতের আঁধারে নদীতে নিয়ে কচুরিপানার নিচে গোপন করা হয়। পরের দিন আবার তুলে এনে বাড়ির পাশেই লাশ ফেলে রাখা হয়, যাতে মনে হয় এটি কোনো দুর্বৃত্তের কাজ।

সম্প্রতি

নাগরিক সংযোগ