মঙ্গলবার, এপ্রিল ৭, ২০২৬
23 C
Dhaka

ডিটেকটিভ পাবলিশার

হোমখবরাখবরঅভিযানের খবরজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জোবায়েদ হত্যা: রহস্য উদঘাটন, তিনজন গ্রেফতার

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র জোবায়েদ হত্যা: রহস্য উদঘাটন, তিনজন গ্রেফতার

ডিটেকটিভ ডেস্ক
,

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো. জোবায়েদ হোসেন (২৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বংশাল থানা পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—মো. মাহির রহমান (১৯), বার্জিস শাবনাম বর্ষা (১৯) ও ফারদীন আহম্মেদ আয়লান (২০)। হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয় বংশাল থানাধীন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নুর বক্স লেনের ১৫ নম্বর হোল্ডিং ‘রৌশান ভিলা’-র নিচতলার সিঁড়িঘরের নিচে।

পুলিশ জানায়, মাহির রহমান ও বর্ষার মধ্যে প্রায় দেড় বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ভিকটিম জোবায়েদ হোসেন প্রায় এক বছর ধরে বর্ষাকে টিউশন পড়াতে যেতেন এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পেরে মাহির ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং বর্ষার সঙ্গে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বর্ষা মাহিরকে জোবায়েদকে হত্যার প্ররোচনা দেয়। এরপর মাহির ও বর্ষা একাধিকবার হত্যার পরিকল্পনা করে এবং জোবায়েদের আসা-যাওয়ার তথ্য নিয়মিত মাহিরকে জানানো হয়।

পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাহির তার বন্ধু আয়লানকে যুক্ত করে এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আগানগর বউ বাজার এলাকা থেকে ৫০০ টাকায় একটি সুইচ গিয়ার চাকু সংগ্রহ করে। ঘটনার সময় জোবায়েদ টিউশন পড়াতে গেলে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা মাহির ও আয়লান তার সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে চাকু দিয়ে গলার ডান পাশে আঘাত করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের সময় বর্ষা ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থান করছিল।

পরবর্তী সময়ে পৃথক অভিযানে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে মাহির রহমান, নিজ বাসা থেকে বার্জিস শাবনাম বর্ষা এবং পল্টনের শান্তিনগর এলাকা থেকে ফারদীন আহম্মেদ আয়লানকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সম্প্রতি

নাগরিক সংযোগ